1. পরিসংখ্যানিক প্রোগ্রামিং

কিছু হুদা প্যাচাল!

পরিসংখ্যান ব্যাপারটা একটাসময় সবাই অবহেলার চোখে দেখত আমাদের দেশে, কিন্তু বর্তমান সময়ে পরিসংখ্যানের ব্যাবহার এতই বেড়ে গেছে যে, এর ব্যাপ্তি আর পরিধি এখন আমাদের মত আমজনতার চোখেও ব্যাপক স্পষ্ট! প্রতিটি সময়, প্রতিটি মূহুর্তে আমরা প্রত্যাক্ষ ও পরোক্ষভাবে পরিসংখ্যান ব্যাবহার করে চলেছি।

Statistics is the Grammar of Science.

বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় প্রশাখায় লুকিয়ে আছে পরিসংখ্যানের ত্বত্তগুলো, সূত্রগুলো! সভ্যতা আর প্রযুক্তির উৎকর্ষতা যতই উর্ধমুখী হচ্ছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পরিসংখ্যানের ব্যাপ্তিও! প্রতিদিন গড়ে ২.৫ কুইন্টিলিয়ন ডেটা তৈরী হচ্ছে! কুইন্টিলিয়ন মানে বোঝো? এক এর পরে ১৮টি শূন্য বসালে যা হয় তাকে বলা হয় কুইন্টিলিয়ন! ২০২০ সাল নাগাদ একজন ব্যাক্তি গড়ে ১.৭ মেগাবাইট ডেটা জেনারেট করবে প্রতি সেকেন্ড এ! বাকি হিসাবটা নিজেই মিলিয়ে নাও! এখন কথা হচ্ছে এত এত ডেটা লইয়া আমরা কি করিব? ওয়েল! এত এত ডেটা লইয়া আমরা এনালাইসিস করিব। কারনটা মার্কেটের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। প্রসাধনী কোম্পানি থেকে শুরু করে ওষুধ কোম্পানি পর্যন্ত, অ্যাপল, গুগল, মাইক্রোসফট থেকে শুরু করে নাসা, সার্ন পর্যন্ত কোথায় নেই ডেটার মাহাত্ম্য? এসব লিখতে শুরু করলে আর শেষ হবেনা। অন্য কোনোদিন লেখা যাবে। তো আসল কথা হলো, এই মিলিয়ন বিলিয়ন গিগাবাইট সাইজের নিয়ে কি খাতায় কলমে হিসাব করবো? না, ব্যাপারটা মোটেই সেরকম নয়! পরিসংখ্যান কখনোই খাতায় কলমে টালী চিহ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলোনা, থাকবেও না। এত সুবিশাল সাইজের ডেটাকে বাগে আনার জন্যে অবশ্যই আমরা কম্পিউটার ব্যাবহার করবো। এবং সেজন্য অবশ্যই আমাদের প্রোগ্রামিং ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক! অনেকরকম প্রোগ্রামিং ভাষা রয়েছে, যে যেটা ব্যাবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, সে সেটাই ব্যাবহার করবে। এরজন্য বাধাধরা কোনো নিয়ম নেই। (যেমনঃ আমি সবসময়ই "Python" এবং "R" ব্যাবহার করি।) কিন্তু সমস্যাটা হলো, প্রোগ্রামিং কথাটা শুনলেই আমাদের অধিকাংশেরই গায়ে কাটা দিয়ে ওঠে! এই ভীতি কে বা কারা আমাদের মাঝে ঢুকিয়ে দিয়েছে আমি জানিনা। তোমরা বিশ্বাস করো প্রোগ্রামিং অত্যান্ত আনন্দদায়ক একটি জিনিস। একবার শুরুটা করেই দেখো!